রামি শুধু একটা কার্ড গেম না — এটা বুদ্ধি, ধৈর্য আর কৌশলের মিশেল। hi bajee-তে রামি খেলুন এবং প্রতিটি রাউন্ডে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করুন।
একসাথে খেলতে পারেন এই সংখ্যক খেলোয়াড়
প্রতিজন খেলোয়াড় শুরুতে পান ১৩টি কার্ড
প্রতিটি রাউন্ড মাত্র কয়েক মিনিটে শেষ হয়
সর্বনিম্ন বাজি মাত্র পঞ্চাশ টাকা থেকে শুরু
রামি হলো একটি ক্লাসিক কার্ড গেম যেটা দক্ষিণ এশিয়ায় বহু বছর ধরে খেলা হচ্ছে। বাংলাদেশে এই গেমটার আলাদা একটা জায়গা আছে — পরিবারের সাথে বসে খেলা থেকে শুরু করে এখন অনলাইনে বন্ধুদের সাথে খেলার সুযোগ তৈরি হয়েছে। hi bajee-তে রামি খেলার অভিজ্ঞতা সেই পুরনো আনন্দকেই নতুন রূপে ফিরিয়ে দেয়।
গেমটার মূল আকর্ষণ হলো এখানে শুধু ভাগ্যের উপর নির্ভর করলে চলে না। কোন কার্ড রাখবেন, কোনটা ফেলবেন, প্রতিপক্ষ কী তুলছে সেটা খেয়াল রাখা — এই সব মিলিয়ে রামি একটা বুদ্ধির খেলা। hi bajee-তে এই গেমটা খেলতে গিয়ে অনেকেই বলেন যে প্রতিটি রাউন্ড আলাদা অনুভূতি দেয়।
রামি খেলতে সাধারণত দুটো ডেক কার্ড ব্যবহার হয়, সাথে দুটো জোকার। প্রতিজন খেলোয়াড় শুরুতে ১৩টি কার্ড পান। লক্ষ্য হলো হাতের কার্ডগুলো দিয়ে সেট বা সিকোয়েন্স তৈরি করা এবং সবার আগে সব কার্ড সাজিয়ে ডিক্লেয়ার করা।
hi bajee-তে রামি খেলার সময় প্রতিটি টার্নে একটি কার্ড তুলতে হয় — হয় ডেক থেকে, নয়তো ডিসকার্ড পাইল থেকে। তারপর একটি কার্ড ফেলতে হয়। এভাবে চলতে থাকে যতক্ষণ না কেউ বৈধ ডিক্লেয়ার করতে পারেন।
রামিতে জেতার জন্য দুটো জিনিস বুঝতে হবে — সেট এবং সিকোয়েন্স।
রামিতে প্রতিটি কার্ডের একটি নির্দিষ্ট পয়েন্ট মান আছে। যে খেলোয়াড় ডিক্লেয়ার করেন তিনি শূন্য পয়েন্ট পান, বাকিদের হাতে যত পয়েন্ট থাকে সেটাই তাদের ক্ষতি।
| কার্ড | পয়েন্ট মান | বিবরণ |
|---|---|---|
| A (এক্কা) | ১০ | সিকোয়েন্সে সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন হিসেবে ব্যবহার |
| K, Q, J (ফেস কার্ড) | ১০ | সবচেয়ে বেশি পয়েন্টের কার্ড |
| ১০ | ১০ | দ্রুত ফেলে দেওয়া ভালো |
| ২ – ৯ | মুখের মান | ৭ মানে ৭ পয়েন্ট |
| জোকার (প্রিন্টেড) | ০ | কোনো পয়েন্ট নেই |
| ওয়াইল্ড জোকার | ০ | র্যান্ডমলি নির্বাচিত, শূন্য পয়েন্ট |
hi bajee-তে শুধু একটা নয়, রামির বেশ কয়েকটি ভার্সন পাওয়া যায়। প্রতিটির নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আছে এবং অভিজ্ঞতার উপর নির্ভর করে যেকোনোটা বেছে নেওয়া যায়।
প্রতিটি রাউন্ড দ্রুত শেষ হয়। যে প্রথম ডিক্লেয়ার করেন তিনি জেতেন এবং বাকিদের পয়েন্টের উপর ভিত্তি করে পুরস্কার নির্ধারিত হয়। নতুনদের জন্য এটাই সবচেয়ে ভালো শুরু।
একটি নির্দিষ্ট পয়েন্ট সীমা (যেমন ১০১ বা ২০১) পর্যন্ত খেলা চলে। যার পয়েন্ট সীমা ছাড়িয়ে যায় সে বাদ পড়ে। শেষ পর্যন্ত যে টিকে থাকেন তিনিই বিজয়ী।
নির্দিষ্ট সংখ্যক ডিলে খেলা হয়। প্রতিটি ডিলে বিজয়ী চিপ পান। সব ডিল শেষে যার কাছে সবচেয়ে বেশি চিপ থাকে সে জেতে।
hi bajee-তে রামি খেলে যারা নিয়মিত ভালো করেন তাদের কাছ থেকে কিছু কৌশল জানা যায়। এগুলো জেতার নিশ্চয়তা দেয় না, তবে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
ডিক্লেয়ার করতে হলে অন্তত একটি বিশুদ্ধ সিকোয়েন্স লাগবেই। তাই গেমের শুরু থেকেই এটা তৈরির দিকে মনোযোগ দিন। বাকি সব পরে ভাবা যাবে।
K, Q, J, A — এই কার্ডগুলো হাতে থাকলে পয়েন্ট বেশি হয়। যদি এগুলো দিয়ে সেট বা সিকোয়েন্স না হয়, তাহলে দ্রুত ফেলে দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।
প্রতিপক্ষ কোন কার্ড তুলছেন বা ফেলছেন সেটা খেয়াল রাখুন। এতে বোঝা যায় তারা কী তৈরি করছেন এবং কোন কার্ড ফেললে তাদের সুবিধা হবে।
জোকার অনেক মূল্যবান। এটা দিয়ে যে সিকোয়েন্স বা সেট তৈরি করলে সবচেয়ে বেশি পয়েন্ট বাঁচবে সেখানে ব্যবহার করুন।
হাত খুব খারাপ হলে শুরুতেই ড্রপ করা ভালো। hi bajee-তে ফার্স্ট ড্রপে পয়েন্ট কম কাটে, মিডল ড্রপে বেশি। তাই সময়মতো সিদ্ধান্ত নিন।
অনেক জায়গায় অনলাইন রামি খেলা যায়, কিন্তু hi bajee-তে কিছু বিষয় সত্যিই আলাদা। প্রথমত, ইন্টারফেসটা বাংলায় — তাই নতুনরাও সহজে বুঝতে পারেন। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশি পেমেন্ট মেথড সরাসরি সাপোর্ট করে।
hi bajee-তে রামি খেলার সময় অটো-সর্ট ফিচার আছে যেটা হাতের কার্ডগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সাজিয়ে দেয়। এতে কোন কার্ড কোথায় আছে সেটা বুঝতে সুবিধা হয়। এছাড়া গেম হিস্ট্রি দেখার সুবিধাও আছে।
যারা প্রথমবার hi bajee-তে রামি খেলতে আসছেন তাদের জন্য পরামর্শ হলো — আগে প্র্যাকটিস মোডে কিছুক্ষণ খেলুন। এতে টাকা লাগে না এবং গেমের নিয়মগুলো ভালোভাবে বোঝা যায়। তারপর ছোট বাজি দিয়ে আসল গেম শুরু করুন।
পয়েন্ট রামি দিয়ে শুরু করুন কারণ এটা সবচেয়ে সহজ এবং দ্রুত শেষ হয়। একটু অভিজ্ঞতা হলে পুল রামি বা ডিলস রামিতে যান। hi bajee-তে প্রতিটি ভার্সনের জন্য আলাদা টেবিল আছে, তাই নিজের পছন্দমতো বেছে নেওয়া যায়।
hi bajee-তে নিবন্ধন করুন এবং ওয়েলকাম বোনাস সহ রামি খেলা শুরু করুন। bKash ও Nagad-এ মাত্র ৳২০০ ডিপোজিটেই শুরু করা যায়।